
লাকসাম–মনোহরগঞ্জজুড়ে ৭ ঘণ্টার শক্তিশালী প্রদর্শন
জি.এম.এস রুবেল, লাকসাম (কুমিল্লা):
শনিবার (২২ নভেম্বর) কুমিল্লা-০৯ (লাকসাম–মনোহরগঞ্জ) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে আয়োজিত বিশাল হোন্ডা শোডাউন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে লাকসাম স্টেডিয়ামে প্রায় দুই হাজার মোটরসাইকেলচালক উপস্থিত হলে শোডাউন আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
সকাল ৯টা থেকে লাকসাম বাজার অতিক্রম করে শোডাউনটি পর্যায়ক্রমে যায়—
নগরপাটি, ফুলগাছ, শোকতলা, খিলা, নাছেরপেটুয়া, বিষ্ণুপল্লী, লক্ষ্মীপুর, বাঁশখিলা, হাসানাবাদ, মন্দিরগাঁও, মনোহরগঞ্জ, পোয়ামশক, শান্তির বাজার, বেগমখিলা, মাগুরাপাড়া, মুদাফরফরন্দ, বিজরা, অবশরদিয়া, নোয়াপাড়া এবং সর্বশেষ জংশন বাজার।
প্রতিটি বাজারেই দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বসিত উপস্থিতি ছিল দৃশ্যমান। সাধারণ মানুষ রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে শোডাউনের বিশাল বহরকে স্বাগত জানান। অনেক স্থানে ফুল বর্ষণ ও স্লোগানে স্লোগানে পরিবেশ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
মনোহরগঞ্জে যাত্রাবিরতি চলাকালে জামায়াতে ইসলামী লাকসাম–মনোহরগঞ্জ আসনের মনোনীত প্রার্থী
ড. ছৈয়দ এ কে এম সারওয়ার উদ্দিন সিদ্দিকি বলেন—
“নির্বাচিত হলে সুদমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করবো। কোরআন–সুন্নাহর আলোকে আইন প্রণয়ন করা হবে। একজন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী থাকার পরও মনোহরগঞ্জ এখনো উন্নয়ন বঞ্চিত। ডাকাতিয়া নদীর দুই পাড়ে বাঁধ নির্মাণ, ফয়েজুন্নেছা কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীতকরণ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করবো।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা-৯ আসনের নির্বাচন পরিচালক ও লাকসাম পৌরসভা জামায়াতের আমীর
মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন—
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব এএফএম সোলায়মান চৌধুরী, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বদিউল আলম সুজন, জামায়াত মনোনীত মনোহরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মুহাম্মদ হামিদুর রহমান আজাদ, মনোহরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর হাফেজ মাওলানা নূরুন্নবী, লাকসাম উপজেলা জামায়াতের আমীর হাফেজ মাওলানা জহিরুল ইসলাম।
র্যালিতে আরও অংশ নেন—
লাকসাম পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা শহিদ উল্যাহ, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জুবায়ের ফয়সাল এবং কয়েক হাজার নেতাকর্মী।
শোডাউনে অংশ নেওয়া মোটরসাইকেলচালকরা জানান—
দীর্ঘদিন পর লাকসাম–মনোহরগঞ্জজুড়ে এমন সুশৃঙ্খল ও ব্যাপক রাজনৈতিক প্রদর্শন দেখা গেছে, যা বিশেষ করে তরুণদের মাঝে নির্বাচনী উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিকেল নাগাদ জংশন বাজার থেকে ফিরে শোডাউনটি পুনরায় লাকসাম স্টেডিয়ামে এসে শেষ হয়। পরে সালাত ও মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে—
এই শক্তিশালী শোডাউন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীকে নির্বাচনী মাঠে উল্লেখযোগ্য সুবিধা দিয়েছে এবং জনসমর্থনের একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত তৈরি করেছে।
শোডাউনে অংশ নেওয়া মোটরসাইকেল চালকরা জানান, দীর্ঘদিন পর এলাকায় এমন সুশৃঙ্খল ও ব্যাপক রাজনৈতিক প্রদর্শন দেখা গেল—যা তরুণদের মাঝে নির্বাচনী আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিকেল ৩টা নাগাদ জংশন বাজার থেকে ফিরে শোডাউনটি পুনরায় লাকসাম স্টেডিয়ামে এসে শেষ হয়। পরে সালাত ও মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই শক্তিশালী শোডাউন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীকে নির্বাচনী মাঠে দৃশ্যমান সুবিধা দিয়েছে এবং জনসমর্থনের নতুন সূচক তৈরি করেছে।