জি.এম.এস রুবেল | লাকসাম (কুমিল্লা)
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর চরমনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, দেশের স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার। কিন্তু গত ৫৪ বছরে যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে তারা দেশকে একাধিকবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করেছে এবং মেহনতি মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করে ‘বেগম পাড়া’ গড়ে তুলেছে। ফলে দেশে ইসলামের পক্ষে এখন একটাই ভোটবাক্স—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯ টায় কুমিল্লার লাকসাম স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত কুমিল্লা-০৯ (লাকসাম–মনোহরগঞ্জ) আসনের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর একটি ন্যায়ভিত্তিক ইসলামি রাষ্ট্র কাঠামোর প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক সহযোগীরা শরিয়া আইনে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকার থেকে সরে এসে প্রচলিত ব্যবস্থায় চলার কথা বলেছে। তাই শরিয়া প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখা প্রতীকে পৃথকভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা-০৯ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সংসদ সদস্য প্রার্থী জননেতা আলহাজ্ব সেলিম মাহমুদ। তিনি বলেন, ভোট একটি পবিত্র আমানত। চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে ইসলামের পক্ষে ভোট দেওয়া প্রত্যেক ভোটারের নৈতিক দায়িত্ব। নির্বাচিত হলে লাকসামকে জেলা, মনোহরগঞ্জকে পৌরসভা এবং নাথেরপেটুয়াকে থানা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং সব ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।
শেষে চরমনাই পীর সাহেব প্রার্থী সেলিম মাহমুদের হাতে হাতপাখা প্রতীক তুলে দিয়ে ভোটারদের পবিত্র আমানত সঠিক জায়গায় ব্যবহারের আহ্বান জানান।
জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ইমরান হোসাইন নূর, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক মাওলানা মোরশেদুল আলম, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নেসার উদ্দিন সুমনসহ কেন্দ্র ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ