“আমাকে জানে মেরে ফেলার জন্যই এ হামলা চালানো হয়েছে, তারেক রহমানের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই” — সামিরা আজিম দোলা
জি.এম.এস রুবেল, লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপি’র চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রত্যাশী ও প্রয়াত কর্নেল (অব.) এম. আনোয়ার-উল আজিমের একমাত্র কন্যা সামিরা আজিম দোলার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (৯ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে লাকসাম উপজেলার কান্দিরপাড় ইউনিয়নের ছনগাঁও গ্রামে এ হামলায় দোলা ও তার অর্ধশতাধিক অনুসারী আহত হন।
সামিরা আজিম দোলা অভিযোগ করেন,
“আমাকে জানে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যেই এ হামলা চালানো হয়েছে। আমি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমানের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
ঘটনার বিবরণ:
দোলা’র অনুসারী হাজী জসিম উদ্দিন ও জাহিদুল ইসলাম জানান,
গত ৩ নভেম্বর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সারাদেশের ২৩৭টি সংসদীয় আসনে মনোনয়ন ঘোষণা করেন।
এ সময় কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক ও লাকসাম উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো. আবুল কালামকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।
চূড়ান্ত মনোনয়ন তালিকায় নাম না থাকলেও সামিরা আজিম দোলা তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচি প্রচার ও লিফলেট বিতরণসহ মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন।
রবিবার সকাল ১১টা থেকে তিনি কান্দিরপাড় ইউনিয়নে উঠান বৈঠক ও লিফলেট বিতরণ শুরু করেন।
একটি বৈঠক শেষে ছনগাঁও গ্রামের পরবর্তী কর্মসূচির পথে পৌঁছার আগেই আবুল কালাম সমর্থকরা দোলার গাড়ি বহরে অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে।
এসময় ইট-পাটকেল নিক্ষেপে সামিরা আজিম দোলা আহত হন, তার নেতা-কর্মীরা ঢাল হয়ে রক্ষায় এগিয়ে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়।
হামলায় বিএনপি নেতা হাজী জসিম উদ্দিন, আবদুল হালিম, নুরু, শামছুল হক, যুবদল নেতা আবুল কাশেম, ফয়সল, জাহিদুল ইসলাম, সাগর, পারভেজ, আলাউদ্দিন, মন্টু, মোরশেদ আলমসহ প্রায় ৫০ জন আহত হন।
এ সময় দোলার গাড়ি, কর্মীদের গাড়ি ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
দোলার প্রতিক্রিয়া:
সামিরা আজিম দোলা বলেন,
“আমার বাবা কর্নেল আজিম ছিলেন লাকসাম-মনোহরগঞ্জের জনপ্রিয় নেতা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করছি।
আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আবুল কালামের অনুসারী মোশারফ হোসেন মুশুর নেতৃত্বে আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
তাদের উদ্দেশ্য ছিল আমাকে ও হাজী জসিম উদ্দিনকে জানে মেরে ফেলা।
অন্য পক্ষের বক্তব্য:
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোশারফ হোসেন মুশুর মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।